ওরে বসন্ত, তুই আগুনের ফুলকি
ফিলিস্তিনিদের জায়গা চুরি করা এস্রাএল ইরানে বোম ছুঁড়ে ঝামেলার শুরু করল, যে ব্যাপারে ইউএস জানত। সম্ভবত এস্রাএল ভাবছিল গতবারের মত এবারও ইরান এস্রাএলের রাস্তাঘাটে বোমা ফেলে দূর্বল প্রতিবাদ জানাবে। কিন্তু ইউএস এস্রাএল চিন্তাও করে নাই ইরান এত সফলতার সাথে পাল্টা জবাব দিবে। ইরানের বোম্বিং এতই সফল যে পিগ্রায়েলের এখন পর্যন্ত নাকি দেড় বিলিয়ন ইউএস ডলারের ক্ষতি হইছে (আমার মনে হয় আরও বেশি)। হাজার গুনে আরও বেশি যেই ক্ষতি হইছে সেটা হইল সবাই জেনে গেছে আয়রন ডোম ভূয়া, এটলিস্ট ইরানের কাছে। এমনকি seems like ইরান ভূয়া ডোমের ফাঁক ধরে ফেলছে। এত বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে জিউদেরকে এস্রায়েলের চুরি করা জায়গায় নিয়ে এসে সেটেল করা সব ভেস্তে গেছে, আনঅফিসিয়ালি ১মিলিয়ন ভেগে গেছে। শেষে ভিতুনিয়াহু ইউএসের হস্তক্ষেপ চাইছে ইরানের বোম্বিং বন্ধ করার জন্য। এস্রায়েল, ইউএস, আর ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা রেজা পাহলভি ভাবছিল ইরানে রেজিম পরিবর্তন করবে। উল্টা ইরানীরা এক হয়ে গেছে, রেজিম পরিবর্তন ত দূরের কথা। সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হইল, ট্রাম্প তার বিরাট সাপোর্ট হারাইছে, X এ ইউএস সিনেটররা সবাই ট্রাম্পের এগেইন্স্টে টুইট করতে করতে ফাটায় ফেলছে। ইউএসের বিভিন্ন জায়গায় শুধু ট্রাম্পের করা ইরানে হামলারই প্রতিবাদ করে নাই, ট্রাম্পের অপসারনও চাইছে! জোহরান মামদানি নামের অপরিচিত একজন মুসলিম ডেমোক্রেটিক মেয়োরাল প্রাইমারিতে জয়ী হইছে। যেটার বড় কারন বাকি candidateদের গাজায় এস্রায়েলের হামলার অন্ধ সমর্থন দেওয়া। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে জিউরা বিগ ডোনার হওয়ায় তাদের নির্দেশে সেখানের ছাত্রদের ওপর হামলার জন্য মে বি সবার চোখ খুলে যাওয়া শুরু হইছে, স্পেশালি ছাত্রদের, এটা বড় ফ্যাক্ট। আমি কেন জানি এসবের সাথে আমাদের দেশের হাসিনা-রেজিমের বিরুদ্ধে গণ আন্দোলনে পতনের আগের মুহুর্তের সাথে মিল পাই। Seems like world is on the verge of a huge political shift, ideological shift. বসন্ত খুব কাছেই। ওরে বসন্ত, তুই আগুনের ফুলকি, কোকিলের কুহুতে জাগা বিদ্রোহী মুক্তি! পলাশের রাঙা আগুনে জ্বালাস তুই বন, দাসের বুকে ফোটাস মরণ-জয়ী গান। -কাজী নজরুল ইসলাম