রকিব হাসান ডাইড
মেরী চাচী প্রথম কাঁদো কাঁদো গলায় কিশোরকে জানাল খবরটা। খবরটা শুনেই একদম থমকে গেল সে। কিশোরকে এভাবে চুপসে যাওয়া দেখে রবিন, মুসা সোফা থেকে এক লাফে উঠে গেল। এদিকে মেরী চাচী অঝোরে কান্না শুরু করে দিয়েছে। তখনই ঘরে ঢুকল ওকিমুরোর ওমর ভাই আর জিনা পার্কার। এদের দুইজনকে দেখেই রবিনই প্রথম জোরে বলে উঠল "কি হয়েছে?"। জিনা একদম কেঁদে মেরী চাচীকে জড়িয়ে ধরেই বলল রকিব দাদা আর নেই। মুসা তার ব্যায়াম করা ভারী শরীর নিয়ে একদম ধপাস করে পড়ে গেল সোফার কোনায়, সোফা মুসার ভার না সইতে পেরে এক পা ভেঙে কাত হয়ে পড়ে গেল। রবিন একদম সটান দাঁড়ানো। মুসাকে কেও তুলতেও গেল না। ওমর ভাই তার পিঠ থেকে হ্যাট আর শিকারী বন্দুক রুমের এক কোনায় রেখে চুপচাপ চোখের পানি ফেলছে। টেরী, মি: ফগও কোনওভাবে খবরটি পেয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরে ঢুকে এসেই সবাইকে অবাক করে দিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদা শুরু করল। আজ সবাই যেন সব শত্রুতা ভুলে এক হয়ে গেছে। এখন আর জলদস্যুর দ্বীপেও যাওয়া হবে না, কাকাতুয়াও আর হারিয়ে যাবে না। আমার স্কুল জীবনের বইয়ের নেশার কারিগর তিন গোয়েন্দার লেখক রকিব হাসানকে আল্লাহ জান্নাত বাসী করুক। ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রজিউন।