পলাতক শেখ হাসিনা
পলাতক শেখ হাসিনা আসলে টুঙ্গি পাড়ায় বিমান বন্দর করার জন্য উদ্যোগ নেয়, কিন্তু বাস্তবায়ন যে হয় নাই সেটা ভুলে গেছিল। এজন্য তিনি আসলে মনে করেছেন যে বিমানে করে তাকে টুঙ্গি পাড়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যে কারনে বিমান বন্দরের অস্তিত্ব না থাকায়ও টুঙ্গি পাড়ায় বিমান নিয়ে ল্যান্ড করার কথা তিনি ভেবেছিলেন। এটা শুনে মনে পড়ে গেল লক্ষণ সেনের ব্যাপারটা। বিখ্যাত অস্তিত্বহীন চৈনিক ঐতিহাসিক ঘ্যাচাং পং তার অস্তিত্বহীন ইতিহাসের বই পংচংবং-এও এমনই একটা ঘটনার কথা লিখেছেন লক্ষণ সেনের ব্যাপার নিয়ে। লক্ষণ সেনও জানতেন না নৌকায় করে তাকে আসলে ভূল বুঝিয়ে নদী পার করে তার রাজ্যের পূর্বাংশে নেওয়া হচ্ছে। লক্ষণ সেন ভেবেছিলেন নৌকায় করে আসলে তাকে ইখতিয়ার উদ্দিনের সৈন্য বাহিনীর পশ্চাৎ ভাগে নেওয়া হচ্ছে, যেন লক্ষণ সেন বীরত্বের সাথে ইখতিয়ার উদ্দিনের বাহিনীকে পেছন থেকে অকস্মাৎ আক্রমণ করে পর্যদুস্ত করে দিতে পারে। পরে যখন জানতে পারেন আসল ঘটনা তখন সেন রাজা আফসোস করে বলেন যেন তার ফেলে আসা সাম্রাজ্যের পশ্চিম অংশের সকল সম্পদ তার গরীব অধিবাসীদের বিলিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনা পরবর্তীতে ঘ্যাচাং পং এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে পলাতক রাজা লক্ষণ সেন নাকি জানান। এভাবেই ইতিহাসে ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়। আহারে!