Skip to content

ইউ এস এ এ্যাবাডাক্টস ভেনেজুয়েলান প্রেসিডেন্ট

3 min read4 views

আমারা অনেকেই মনে করি ইরাক, ইরান, ভেনেজুয়েলায় আমেরিকার আগ বাড়িয়ে হস্তক্ষেপ শুধু তেলের জন্যই। ব্যাপারটা একদমই আংশিক সত্য। পুরোটাই আসলে চীনকে ঘিরে। কি অবাক হলেন? দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে দিব, আই প্রমিজ। একটা ব্যাপার কেওই জিজ্ঞেস করে না আর সেটা হল, চীনের সাথে ইরাকের মিল ঠিক কোথায়? আমাদের প্রচলিত সো-কল্ড প্রচার মাধ্যম যেটাকে দিন রাত ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বলে সেটা একদমই না। এটা শুধুই যে তেল এমন না। তেলকে ঘিরে পুরো ব্যাবস্থা যন্ত্র, পুরো সিস্টেমটা। ২০০০ সালের দিকে ইরাক শুধু যে তেলই বিক্রি করছিল ব্যাপারটা এমন না, ইরাক তেল কিভাবে এবং কোন মুদ্রায় বিক্রি করবে সেটাকে চ্যালেন্জ করা শুরু করে। তখন থেকেই আমেরিকার কাছে ইরাক ভয়ংকর একটা হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। আবার বর্তমানে ফিরে আসা যাক। চীন এমন একটা দেশ যাদের জন্য অন্য কোন দেশের তেলের নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করতে আক্রমণ করতে হয় না। চীন এভাবে তেলের নিয়ন্ত্রন করে- -দীর্ঘমেয়াদী ক্রয় চুক্তি -তেলের বিনিময়ে ঋণ পদ্ধতি -গোপন সামুদ্রিক নেটওয়ার্ক -ডলার বিহীন স্থানীয় মুদ্রা পদ্ধতি ইরান এবং ভেনেজুয়েলা উপরের বর্ণিত পদ্ধতির সুন্দর উদাহরন। ইরান দৈনিক মোটামোটি দেড় বিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানী করে, যেটার সিংহভাগই চীনে যায় অনেক কমমূল্যে এবং গোপন বা অপ্রচলিত সামুদ্রপথে। ভেনেজুয়েলা দৈনিক ৭ থেকে ৯ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানী করে, যেখানে চীন এর প্রধান আমদানীকারক এবং তেলের বিনিময়ে ঋণ দানকারী দেশ। এটা যে শুধুই এনার্জীর বিনিময় এমন না, এটা জিওপলিটিক্যাল ইস্যু। চীন শুধুই তেলের ক্রেতা না। ইউএসএ যখন ভেনেজুয়েলাকে স্যাংশন দেয় তখন চীন এই তেল ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে সেই স্যাংশনের বিরুদ্ধে ভেনেজুয়েলাকে প্রায় সকল সুযোগ সুবিধা দেওয়ার ব্যাবস্থা করে দেয়। এখন তাহলে কি হল? ইউএসএ যুদ্ধ শুরু করছে ব্যাপারটা তা না। ইউএসএ উপরে বলা ক্রয়-বিক্রয় পদ্ধতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষনা করেছে। আস্তে আস্তে সব বলছি- প্রথমত, স্যাংশনগুলো কোন দেশকে টার্গেট করে না, এটার মূল লক্ষ্য: -শিপিং কোম্পানীগুলো -ইন্স্যুরেন্স -পোর্টগুলো -তেল শোষনাগারগুলো -লেনদেনের বর্তমান পদ্ধতি এটা কোন সামরিক কারসাজি না, এটা ফিনানসিয়াল warfare। এগুলোর পর শুরু হয় ব্লকেইড, স্হাপনার পূর্ন কন্ট্রোল, এবং সমুদ্র পথে প্রেসার তৈরী করা - ঠিক যেখানে তেল লুকিয়ে রাখার আর কোন জায়গা নেই, কারন সেখানেই তেল উৎপন্ন হয়। সর্বশেষ শুরু হল রাজনৈতিক আক্রমণ। কারন যখনই - তেল কে পরিবহন করছে, কে প্রতিরক্ষা দিচ্ছে আর কে ক্রয় ব্যাবস্থা ঠিক করছে এটার পূর্ণ নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করা হবে তখনই আর তেলের উৎসের কন্ট্রোল আর প্রয়োজন নেই। কারন পুরো সিস্টেমের মাধ্যমে কে টাকা পাচ্ছে সেটার কন্ট্রোল নেওয়া হয়ে গেছে। এই একই শিক্ষা ইরাককে দেওয়া হয়েছে অনেক আগেই। পুরো ব্যাপারটা শুধুই তেলের জন্য না, আসল ব্যাপার হল মুদ্রার নিয়ন্ত্রণ, বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ শক্তি আর বিশ্বের মুদ্রা পদ্ধতির ওপর নিয়ন্ত্রণ। তেল শুধুই অর্থনীতির রক্তপ্রবাহ, আসল যুদ্ধ কে এই প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। একারনেই ইরান এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে ইউএসএ’র কাছে, একারনেই ভেনেজুয়েলাও গুরুত্বপূর্ন। এবং একারনেই চীন সব কিছুর মাঝে রয়ে গেছে, প্রচলিত সংবাদ মাধ্যম প্রকাশ করুক আর না করুক। ধনীরা রাজনীতি নিয়ে তর্ক বিতর্কে জড়ায় না, তারা সিস্টেমের এ টু জেড নখদর্পনে রাখে। কারণ সিস্টেম পরিবর্তনের সাথে সাথে ধনীদের ভাগ্যও পরিবর্তন হয়ে যায়। -Robert Kiyosaki’র পোস্টের ভাষান্তর (without using কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা) (কমেন্টে আসল পোস্ট লিংক দেওয়া হল) . . . #JusticeForHadi

If you enjoyed this

Share
←JprevnextK→

More to read

সমৃদ্ধ সালতানাতে বাঙ্গালা

পাল, সেন, সুলতানী, মুঘল, ব্রিটিশ সকল পিরিয়ডেই বাংলা ভূখন্ড এতই ধনী আর উন্নত ছিল যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বণিকে…

The real "Unbowed"

বাংলাদেশকে টি-টুয়েন্টি থেকে বাদ দিয়েছিল ভারত নিয়ন্ত্রিত বর্তমান আইসিসি, এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরুপ পাকিস্…

পোলাপাইনের মাথায় এত্ত বুদ্ধি!

পোলাপাইনের মাথায় এত্ত বুদ্ধি! বিশেষ করে ইয়াং জেনারেশন এখন সব দেখে আর বুঝে। জাতীয়তাবাদী দল যদি মনে করে আওয়ামী ল…